বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন
পটুয়াখালী জেলার বাউফলের হোসনাবাদ কমিউনিটি ক্লিনিকের সাবিনা রুমান তানিয়া, সিএইচসিপি এর রয়েছে ব্যাপক অনিয়ম। এতে ভোগান্তিতে পড়ছে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা গরিব অসহায় রোগীরা। তাতে তার কোনও যেন নেই মাথা ব্যথা। ঠিক মতো আসেননা ক্লিনিকে। আবার দুই একদিন আসলেও তাও আবার বেলা ১১টার নিচে আসেননা। আবার চলে যান দুপুরের পরপরই। যদিও নিয়ম হলো সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ক্লিনিকে উপস্থিত থেকে আসা রোগীদের কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করার কথা।
সরেজমিনে রোববার (০৫ ডিসেম্বর ) বেলা ১১ টার দিকে হোসনাবাদ কমিউনিটি ক্লিনিক বাউফল-২ তে এসে দেখা যায় ক্লিনিক তালাবদ্ধ। সেবা নিতে আসা সাধারন রোগীরা ক্লিনিকের সামনে ঘোরাফেরা করছে। আবার অসুস্থ রোগীরা ক্লিনিকের পাশেই বসে আছে।
এসময় ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে আসা শান্তা রানী মালাকার জানান, আমি প্রায়ই আসি এ ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে কিন্তু এসে বসে থাকতে হয়। তারপর ডাক্তার আপা আসেন। আজকেও সকাল ১০টার আগেই আমি চিকিৎসা নিতে এসেছি এখন ১১ টা বাজে কিন্তু এখনো ডাক্তার আপা আসেননি। জানিনা আসবেন কিনা?
অসুস্থ ময়না বিবি জানান, কতোক্ষন ধরে বসে আছি, আমি অসুস্থ মানুষ, ডাক্তার আপা এখনো আসেনি। অনেক বেলা হয়ে গেছে। ডাক্তার আপায় ঠিকমতো বসে না দেখে রোগীরা এসে চলে যায়।
আরও চিকিৎসা নিতে আসা একাধিক রোগীরা জানান, যতবারই আসলাম এই ক্লিনিকে ততবারই এসে ঠিক মতো ডাক্তার আপাকে পেলাম না। আবার আসলেও ১১টার পর আসে তখন ৫ টাকা দিয়ে ডাক্তার আপাকে দেখাতে হয়। কোনও ঔষধ পত্র পাইনা। আবার দুএক দিন ঔষধ পেলেও তাও আবার ৫/৬ টা করে বড়ি দেয়। তাহলে এতো ঔষধ আসলেও আমরা কেন পাইনা? যদি টাকা থাকতো তাহলে কি এখানে আসতাম ডাক্তার দেখাতে?
এদিকে প্রতিবেদক সাবিনা রুমান তানিয়া সিএইচসিপি এর মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে ফোন দিলে তিনি বলেন, আমি এখনই আসছি বলে সাড়ে ১১টার দিকে ক্লিনিকে এসে চেম্বারে বসে প্রতিবেদককের প্রশ্নের জবাবে বলেন, আজকে আসতে একটু দেরি হয়ে গেছে। আর ঔষধ না থাকলে আমরা রোগীকে কোথা থেকে ঔষধ দিবে এমন প্রশ্ন থেকেই যায়।
এবিষয়ে বাউফল উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রশান্ত কুমার শাহা বলেন, এরকম অনিয়ম আমাদের কাম্য নয়! সাবিনার বিরুদ্ধে তদন্ত করা হবে যদি এরকম অনিয়ম পাই অবশ্যই তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে